টাকা

হঠাৎ ফোনের রিং টোন বেজে উঠল ।
ঘুমটা ভেঙ্গে গেল ।
রাত এখন কয়টা বাজে ঠিক বুঝতে পারছি না ।
ঘরের লাইট নেভান । তাই ঘুটঘুটে আঁধারে কিছুই দেখছি না ।
হাতড়ে হাতড়ে সেল ফোনটা হাতে নিলাম ।
কল রিসিভ করে বললাম,
-হ্যালো । কে বলছেন ?
ওপাশ থেকে পুরুষালি গলায় কেউ একজন বলে উঠল,

-এতো রাতে বিরক্ত করার জন্য দুঃখিত ভাই ।
-আরে সমস্যা নেই । বলুন ।
-আসলে আমি কাল চট্টগ্রাম আসব । তাই তোমার সাথে দেখা করতে চাচ্ছিলাম ।
কাল কি তোমার সময় হবে ?
-ওকে । কাল আমি ফ্রি আছি । দেখা করতে পারব । নো প্রবলেম ।
-রাতে থাকতে পারবে ?
-হুম । পারব । কিন্তু রাতে আমার রেট একটু বেশি ভাইয়া ।
-টাকার কথা তোমাকে চিন্তা করতে হবে না । আমাকে খুশি করো আমি তোমাকে খুশি করব টাকা দিয়ে । ওকে । কাল আমি তোমাকে ফোন দিব ।

লোকটা ফোন রেখে দিল ।
আমি আসলে টাকার বিনিময়ে সেক্স করি ।
আমি জানি আমার এসব কথা শুনে অনেকেই আমাকে ঘৃণা করছেন ।
কিন্তু আমার মত ছেলেদের আসলে এই পথে অনেকটা বাধ্য হয়েই নামতে হয় ।
থাক সেসব কথা ।
ঘুমিয়ে গেলাম । কাল অনেক ধকল যাবে ।

বিকাল ৫ টা ।
বার বার ঘড়ি দেখছি।
নিজেকে আয়নার সামনে দেখছি । সব ঠিক ঠাক আছে কি না !
এই শরীর একটু পরে আরেকজনের হবে ।
সাথে সাথেই ঐ লোকটা ফোন দিল ।
আমি আর দেরি করলাম না ।
আমি আসছি বলেই বাসা থেকে তাড়া হুড়া করে বের হলাম ।

হোটেল ফ্রেশ ইন ।
রুম নম্বর ৩০৫ ।
নক করতেই এক ভদ্রলোক দরজা খুলে দিল ।
বয়স ৪৫ এর কাছাকাছি ।
রুমের দরজা বন্ধ করতেই উনি আমাকে জড়িয়ে ধরে বিছানায় ঝাঁপিয়ে পরলেন ।
মনে হচ্ছিল উনার আর এক মুহূর্ত দেরী করাটা সম্ভব নয় ।
এরপর শুরু হল উনার বর্বর খেলা ।
কখনও আমার ঠোঁট, কখনও বুক আবার কখনও আমার তলপেটে । চলল অজস্র কামড় । আঁচড় ।
এতো জোরে জোরে কামড় দিচ্ছিল যে আমার ফর্সা শরীর জায়গায় জায়গায় লাল হয়ে যাচ্ছে ।
উনি উনার পরনের লুঙ্গি একটানে খুলে আমার উপর শরীর চেপে ধরলেন ।
কিছু বুঝে উঠার আগেই আমার মুখে উনার বলিষ্ঠ পুরুষাঙ্গ প্রবেশ করলেন ।
বললেন,
-চোষ হারামজাদা । টাকা নিবি না ! চুষ । ভালো করে চুষা দে ।
আমি চুপচাপ যন্ত্রের মত কাজ করে যাচ্ছি ।
উনার যৌন দণ্ড চুষছি ।
এভাবে ৫-৬ মিনিট যাবার পর উনি আমাকে টেনে হিঁচড়ে কুকুরের মত বসালেন ।
আমার নিতম্বে জোরে জোরে কয়েকটা থাপ্পর বসালেন ।
আমার মুখে তার এক হাত দিয়ে শক্ত করে চেপে ধরলেন ।
আর এক হাতে তার বিশাল পুরুষাঙ্গ ।
আমি কিছু বলতে চাচ্ছিলাম ।
উনি সে সুযোগটাও দিলেন না ।
লোশন কিংবা লুব্রিকেট ছাড়াই আমার নিতম্বের ভেতরে চালান করে দিলেন উনার ৮ ইঞ্চির কাছাকাছি যৌন দণ্ড ।
আমি ব্যথায় কোকাচ্ছি ।
উনার থাই ধরে চেষ্টা করলাম সরিয়ে দিতে ।
পারলাম না ।
উনি ঝড়ের বেগে উনার কাম দণ্ড আমার ভেতরে ঢুকাচ্ছেন ।
সাথে চলল অশ্লীল গালি গালাজ ।
– তোর জ্বালা আজ মিটাবো । শালা চুদনা । পাছা আজ লাল করে দিব । টাকা লাগব তোর ? টাকা পাছার ভেতর ঢুকামু । শালা খানকি । বেশ্যা মাগি । পোলার চুদা খাইতে আসছস । তোর পাছা যদি আজ না ফাটাইসি ।
এভাবে কতক্ষন চলল জানি না ।
এটা গেল একবারের কথা ।
সারাটা রাত আমার উপর ঝড় চলল ।
আমি বেহুঁশ ।
একসময় টের পেলাম উনি আমার উপর শুয়ে আছেন ।
আমিও কখন যে ঘুমিয়ে গেছি বলতে পারব না ।

সকালে ঘুম ভাঙ্গার পর চোখ মেলে তাকালাম ।
আমার এক ক্লাসমেট এর ফোনে ঘুমটা ভাঙল ।
আমি ভুলেই গিয়েছিলাম যে আজ এক্সাম ফি জমা দেবার লাস্ট দিন ।
বিছানায় পাশ ফিরে দেখলাম উনি এখনও ঘুমাচ্ছেন ।
মরার মত ।
চিন্তা করতে লাগলাম এখন এই বয়সেই উনি এমন , তরুন বয়সে তাহলে কেমন ছিলেন !
বাথরুমে গিয়েই বুঝলাম আমার ব্লিডিং হয়েছে নিতম্বে ।
এখনও প্রচণ্ড ব্যথা পাচ্ছি ।
কোন রকমে ফ্রেস হয়ে বের হলাম ।
উনার কাছ থেকে বের হলাম ।
আমার পকেটে এখন ৫০০০ টাকা ।
গত রাতের কষ্টের ইনাম ।
কাছেই আমার কলেজ । হাঁটতে খুব কষ্ট হচ্ছে ।
একটা রিকশা নিলাম ।
কলেজে যখন টাকা জমা দিচ্ছি তখন আমার দু চোখ টল মল করছে জলে ।
মুখ থেকে তখন একটা শব্দই বের হল,
“হায়রে টাকা !”

One thought on “টাকা

  1. Sex is most essential for all. Without sex life is not full & without fuck sex is not complete. So everybody always must fulfil ur sex with hard fucking. Sex is one of the nine reasons for reincarnation. The other eight are not so important. S

    Like

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s